ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ পালন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস লিসবন। শনিবার (৭ নভেম্বর) লিসবন বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন আবদুল্লাহ আল মামুন (মিনিষ্টার পলিটিক্যাল) পর্তুগালে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শুরুতে নবনিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড.এস এম কামরুল হাসান জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পরে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আলোচনা পর্ব শুরু হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন থার্ড সেক্রেটারি শাহেদ হোসেন এবং প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাণী পাঠ করেন দূতালয় প্রধান এস এম গোলাম সারওয়ার। এ ছাড়া ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনাসভায় রাষ্ট্রদূত ড.এস এম কামরুল হাসান ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের মধ্য দিয়ে সেদিন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত হয় এবং জাতীয় সংহতির নতুন ভিত্তি রচিত হয়।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের অবদানের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রদূত বলেন, দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে পর্তুগালে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। দূতাবাসের কনস্যুলার ও অন্যান্য সেবা আরো জনবান্ধব করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
আলোচনা পর্বে পর্তুগালের বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য ও জাতীয় জীবনে এ দিবসের গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য দেন।








